মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সাজেক দুর্গম এলাকায় শিয়ালদহ বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক বিতরণ করেন বাঘাইহাট আর্মি জোন। কালের খবর রাঙ্গামাটি সাজেক বৈশাখী ( বিযু) উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। কালের খবর সাজেক শুকনাছড়া এলাকা যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৫২.৭১ ঘন ফুট সেগুন কাঠ জব্দ। কালের খবর জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্য এলাকা থেকে বিএনপির খাগড়াছড়ির শাহেনা আক্তার আলেচনায়। কালের খবর কালের সাক্ষী হয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী হাটহাজারী পার্ব্বতী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী এই ভবন! কালের খবর দেশের আভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের খনিজসম্পদ ব্যবহারের দাবি। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় নিয়ম ভেঙে তেল বিক্রির দায়ে বিশ হাজার টাকা জরিমানা। কালের খবর খাগড়াছড়িতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে তামাক চাষ, কমছে সবজির আবাদ। কালের খবর সাজেকে ঘুরতে আসা টুরিস্ট এর হারানো মোবাইল সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার করে মালিককে ফেরত প্রদান। কালের খবর রায়পুরায় মাদকাসক্ত ছেলেকে কারাগারে পাঠাতে অসহায় বৃদ্ধা মায়ের আকুতি। কালের খবর
আখেরি মোনাজাত বাংলাতে হওয়ায় সন্তুষ্ট মুসল্লিরা। কালের খবর

আখেরি মোনাজাত বাংলাতে হওয়ায় সন্তুষ্ট মুসল্লিরা। কালের খবর

কালের খবর রিপোর্ট :: বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত গতবারের মত এবারও আরবী ও বাংলা ভাষায় করা করা হয়েছে। বাংলাদেশের তাবলিগি মুরব্বি মাওলানা জোবায়ের মোনাজাত পরিচালনা করেন। এর আগের ইজতেমাগুলোতে ‍দিল্লীর মুরব্বিরাই উর্দুতে দোয়া করতেন। তবে এ দু’বছর মাওলানা জোবায়ের বাংলা ভাষায় দোয়া করছেন। বিশ্ব ইজতেমার এই মোনাজাত আমাদের জাতীয় প্রায় সবগুলি গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ায় শুধু টঙ্গিতে উপস্থিত মুসুল্লিরাই নয় সারা দেশের মানুষ এমনকি সারাবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন এই মোনাজাতে একসাথে হাত উঠিয়ে থাকেন।

বাংলায় মোনাজাতে অংশ নিতে পেরে বাংলা ভাষাভাষী মুসল্লিরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শুধু ভাষার কারণেই নয়; বিষয় বৈচিত্র্যের দিক থেকেও এবারের বিশ্ব ইজতেমা ছিল অনন্য। উলামায়ে কেরামের সম্পৃক্ততা বাড়ায় বয়ানের মধ্যেও যোগ হয়েছিল ভিন্নমাত্রা। গাজীপুর জেলার মুরগী ব্যবসায়ী শরীফুল ইসলাম জানান, ‘আখেরী মোনাজাত বাংলা ভাষায় হওয়ায় আমাদের জন্য সুবিধা হয়েছে। আমরা এখন বুঝতে পারি হুজুর মোনাজাতে আমাদের জন্য কী দোয়া করছেন’। আতর ব্যবসায়ী কামরুল মিয়া বলেন, ‘আগের মোনাজাতে আমরা হুজুরের কথা বুঝতে পারতাম না। শুধু ‘আমীন’ ‘আমীন’ বলতাম। এ বছর বাংলাতে মোনাজাত করায় আমরা খুশি হয়েছি’।

মিরপুরের বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতে অংশ নিচ্ছি। আমি উর্দু-আরবী বুঝি না। আগে ওইসব ভাষায় পরিচালিত মোনাজাতের কথা বুঝতে পারতাম না। সকলের সঙ্গে শুধু আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন বলতাম। গতবার থেকে মোনাজাত বাংলায় হওয়ায় এর মোনাজাতের মর্ম বুঝতে পেরেছি। এ জন্য তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com